১৯শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

কোন দেশের নারীর বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে মিলনে ক্ষমতা বেশী !!

জানুয়ারি ১২, ২০১৮, সময় ১০:৩০ অপরাহ্ণ

উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে সাধারণত ছেলেরা তাদের জীবন সঙ্গী হিসেবে অনেক সুন্দরী মেয়ে খোঁজে। আবার মেয়েরাও খোঁজে কোন সুদর্শন ছেলেকে। কারণ উপমহাদেশের ছেলেমেয়েদের সেক্স পাওয়ারে একুট বেশি হয়ে থাকে।

কিন্তু আমরা কি জানি পৃথিবীর কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে সুন্দরী ও সবচেয়ে সেক্স পাওয়ারকিংবা পুরুষরা সুদর্শন? সম্প্রতি ‘মিস ট্র্যাভেল’ নামে একটি ওয়েবসাইট একটি সমীক্ষা চালিয়ে কোন দেশের পুরুষ ও নারী বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে সেক্স পাওয়ার আকর্ষণীয়, সুদর্শন, কমনীয় তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।

তালিকায় দেখা যাচ্ছে প্রথম তিন নম্বরে আছে পাকিস্তানের নাম। কিন্তু সেরা দশের মধ্যেও ভারত কিংবা বাংলাদেশের নাম নেই। মূলত ঐ সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল বিভিন্ন দেশের পুরুষ ও নারীদেও সেক্স পাওয়ারের ওপর। তারই ভিত্তিতে যে দেশের নারীদের সেক্স পাওয়ারের ওপরতালিকা তৈরি করে ওই ওয়েবসাইট।

তালাক প্রাপ্ত মেয়েরা কেনো একা থাকতে পারে না ?কেনো রাতে তাদের……

ডিভোর্সের পর মেয়েরা – ডিভোর্সের পর একজন নারী সাধারণত অনেক বেশি হীনমন্যতায় ভুগতে থাকেন। অধিকাংশ নারীই বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের সাথে কোন আড্ডা কিংবা পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করেন। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও অসংখ্য মেয়ে এই ধারণাটির কারণে সম্পূর্ণ জীবনটি কাটিয়ে দেন কষ্ট আর হতাশায়।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি? বা এই ধারণাটা নিয়ে কী ভাবেন বর্তমানের নারী-পুরুষ?

যাদের কখনো ডিভোর্স হয়নি বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখা হয়নি তাঁরা হয়তো কখনোই বুঝতে পারবেন না মূল অবস্থাটি। কিন্তু যারা গিয়েছেন বা এখনও যাচ্ছেন এই পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে? হ্যাঁ, একমাত্র তারাই বলতে পারবেন যে সত্যিকারের পরিস্থিতিতি কেমন।
আর তাই আমার প্রশ্নটি ছিল এমন কয়েকজন নারীর কাছে, যিনি ডিভোর্স পরবর্তী সময়টি মোকাবেলা করেছেন বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখেছেন।
আমি জানতে চেয়েছিলাম এই ব্যাপারে তিনি কী মনে করেন, জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের জীবনের ঝড়ঝাপটা গুলোর কথা। কী জবাব মিল? তাঁদের মন্তব্যগুলো নাহয় হুবহু-ই তুলে দিচ্ছি পাঠকের জন্য। বাকিটা পাঠক নিজ বিবেক দিয়ে বিবেচনা করবেন।

কাজী নাজিয়া মুশতারী (৩০)
নারী উদ্যোক্তা , রাজশাহী।
আমি থাকি আম্মুর সাথে.. সেরকমভাবে কোন সমস্যায় পড়িনি, বিকজ অফ আমার ভয়াবহ অ্যারোগেন্ট ইমেজের জন্য। এবং এটা আমি নিজেই বানিয়েছি। আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে আমি অচ্ছুত হয়ে গেছি, আমার কেউ নাই- এরকম লুতুপুতু ইমেজ বানালে যে কেউ বিরক্ত করতে আসবে।আর সবচে মজার বিষয় হচ্ছে আমার ব্যাপারটা থানা পুলিশ জেল অব্দি গড়িয়েছিল, কিছুটা হলেও শাস্তি দিতে পেরেছিলাম, তাই সবাই এই ভয়টাও পায় কীভাবে লাল দালানে চালান দিতে হয় সেটা আমি জানি, তাই আমাকে না ঘাটানোই ভাল।আর একা থাকার আরেকটা বিষয় নিয়ে সমস্যা হয় সেটা হলো বাসাভাড়া কেউ দিতে চায়না, আবার বাচ্চার স্কুলে অন্য মহিলাদের অযথা কৌতুহল এবং সব সময় নিজেকে একটু সাবধানে রাখতে হয় যাতে কেউ গুজব রটাতে না পারে।
তবে এগুলাও মেন্টেন করা যায়। আমরা কেউ ছোট বাচ্চা তো না যে নিজের অসুবিধা বুঝবোনা। একা থাকার সবচে বড় শর্ত হচ্ছে স্বাবলম্বী হওয়া, স্বাবলম্বী যে কেউ একা থাকতে পারে। কারো অনুগ্রহে বা অধীনে বাঁচতে গেলেই একা থাকাটা আর হয়ে ওঠেনা।

সাবরিনা খান (৩৪)
ব্যাংকার, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা।
আমি ঠিক একা না। মা সাথে থাকে। দোকা থাকা অবস্থাই মা আমার সাথে থাকতো। তবে মা আমাকে আবার বিয়ে করতে আগ্রহী নই বলে ফ্ল্যাট কিনতে বলে। সে সহ সবাই ভয় দেখায় মা চিরজীবন থাকবে না, তখন আমার থাকার জায়গা থাকবেনা। আমি ভাবছি শুধু থাকার জায়গার জন্য কি বিয়ে করা লাগবে!

শাফিয়া (২৮)
গৃহিণী, মিরপুর
সমাজের মানুষ তো একা থাকলেও বলবে, দোকা থাকলেও বলবে। একা বা দোকা থাকা সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যাপার হওয়া উচিৎ। তবে সমাজের কথাটা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো ও নয়। কারণ-

Comments

comments

আজকের সব খবর

error: Content is protected !!