১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইছেন অপু বিশ্বাস!

ডিসেম্বর ৭, ২০১৭, সময় ১:২৩ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ নয় বছরের সংসারে ভাঙন স্বামী শাকিব খানের একরোখা সিদ্ধান্তেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তাও কামনা করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে অপু বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইছি। কারণ ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর আজ আমাকে শাকিব তালাক দিতে চাইছে। আমি এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। আমার সম্প্রদায় তো এখন আমাকে আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না।

অপু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সহনশীল ও সুবিবেচনাপ্রসূত মনের মানুষ। তার সহমর্মিতা অতুলনীয়। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। শাকিবের একরোখা সিদ্ধান্তে আমার জীবন এখন বিপন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপই এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে আমাকে মুক্ত করতে পারে।

মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলোকেও পাশে চান অপু। তিনি বলেন, সেলিব্রেটি হলেও আমার সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। ডিভোর্সের মতো একটি ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেওয়া যায় না। অপুর কথায়, সংসারে ঝগড়া, ঝামেলা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না।

শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স প্রসঙ্গে অপুকে যে পরামর্শ দিলেন তসলিমা

প্রকাশঃ ০৬-১২-২০১৭, ৬:২০ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর: শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার অবশেষে ভেঙেই যাচ্ছে। অপুকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠিয়েছেন শাকিব। যা কার্যকর হতে সময় লাগবে ৩ মাস। অবশ্য অপুর বক্তব্য অনুসারে তিনি এখনও নোটিশ পাননি। এমনকি তিনি এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ বলেও জানিয়েছেন একাধিক গণমাধ্যমে।

এদিকে শাকিব-অপুর সংসার ভাঙনের খবরে চারদিকে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে নিজ নিজ মত দিচ্ছেন। সেই কাতারে সামিল হলেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি শাকিব-অপুর সংসারের সমাপ্তি নিয়ে কথা বলেছেন।

তসলিমা নাসরিন লেখেন, বাংলাদেশের ছবির হিরো শাকিব তালাক দিচ্ছে বাংলাদেশের ছবির হিরোইন অপু বিশ্বাসকে। অপুর দোষ, অপু তার স্বামীর নির্দেশ পালন করেনি, তার কথা শোনেনি। শাকিবকে ভালোবেসে অপু নিজের ধর্ম ছেড়ে শাকিবের ধর্ম গ্রহণ করেছে। শাকিবের বাড়িতে ঝি-চাকরের মতো কাজকর্ম করেছে। শাকিব বিয়ের ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখতে বলেছে বলে লুকিয়ে রেখেছে। বাচ্চা হওয়ার খবরটাও লুকিয়ে রাখতে বলেছে বলে দীর্ঘকাল লুকিয়ে রেখেছে। বাচ্চা হওয়ার সময় শাকিব হাসপাতালে যায়নি তারপরও শাকিবের জন্য অপুর ভালোবাসা কিছু কমেনি। এখন বাচ্চা কোলে মেয়েটি পাচ্ছে তালাকনামা। শাকিবের মতো আত্মম্ভরী পুরুষতান্ত্রিকের সঙ্গে তালাক হয়ে যাওয়া অবশ্য ভালো। স্বনির্ভর মেয়ে নিজের দেখভাল নিজেই করতে পারে।

তিনি আরও লেখেন, শাকিবের জন্য কান্নাকাটি হাহুতাশ বন্ধ করতে হবে অপুকে। আপাতত অপু বিশ্বাসের কোনও পুরুষকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। হজ্ব করাও উচিত নয়। মানুষের পায়ের তলায় পিষ্ট হয়ে মরে যাওয়ার আশংকা ছাড়া ওতে সত্যিকার কোনও ফায়দা নেই। অপুকে এখন নিজের পায়ের তলার মাটি যেমন আরো শক্ত করতে হবে। মনের ভেতরের মাটিও আরও শক্তত করতে হবে। পায়ের তলার মাটি, মনের ভেতরের মাটি, দুটোই এমন নরম যে, যে কেউ তাদের ডুবিয়ে দিতে পারে কাদায়। যে কেউ আবার তাদের মনেও অনায়াসে ডুবে যেতে পারে।

Comments

comments