Monday , April 23 2018
Home / খেলাধুলা / ওয়ানডে তে টানা ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে যাদের! এক নজরে দেখে নিন।

ওয়ানডে তে টানা ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে যাদের! এক নজরে দেখে নিন।

১৯৭০ সালের পর ক্রিকেটে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন আসতে থাকে। টেস্টের গণ্ডি পেরিয়ে সীমিত ওভারে চলে আসে ক্রিকেট। তবে ৯০ দশকের গোড়ায় বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে একদিনের ক্রিকেট। রঙ্গিন পোশাক ও ডে নাইট ম্যাচগুলোর জন্য নতুন আমেজ তৈরি হয় ক্রিকেটে।এবারের আয়োজনে দেখে নিবো একদিনের ক্রিকেটে টানা ম্যাচ খেলা পাঁচ ক্রিকেটারের নাম।

রিচি রিচার্ডসন:১৯৮৩ সালে একদিনের ম্যাচে অভিষেক হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যান রিচি রিচার্ডসনের। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৯৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা ১৩২ ম্যাচ খেলেন তিনি। এসময় ৩ হাজার চার রান করেন এ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৪টি সেঞ্চুরি ২৭টি হাফ সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি।

শন পোলক:দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে অন্যতম সেরা অধিনায়ক শন পোলক। ২০০০ সালের মার্চ থেকে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ১৩৩ টি ম্যাচে দলের জন্য মাঠ মাতিয়েছেন তিনি। এ পাঁচ বছরে ১৭৪টি উইকেট নেন তিনি। এ সময় মাত্র ৩.৬৯ ইকোনোমি রেটে ছিল তার।

হ্যান্সি ক্রনিয়ে:নায়ক থেকে খলনায়ক। অতঃপর নাটকীয় মৃত্যু। দক্ষিণ আফ্রিকা তথা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত-সমালোচিত নাম হ্যান্সি ক্রনিয়ে।সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সাল থেকে মার্চ ২০০০ পর্যন্ত ১৬২ টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৩২টি ম্যাচে যার মধ্যে ৯৯টি ম্যাচেই জয় পেয়েছে প্রোটিয়ারা। দলকে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে তুলে ধরে ছিলেন তিনি।২০০০ সালের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে তার। ক্রিকেটের কলঙ্কের অন্যতম খলনায়ক হিসেবে তার চেহারা সামনে আসে। ২০০২ সালের জুনে জোহানেসবার্গে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে তার। মৃত্যু নিয়েও কম জল ঘোলা হয়নি।

অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার:১৯৯২ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হয় জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট গ্রেট অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের। অভিষেকের পর থেকে ২০০১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টানা ১৭২ টি ম্যাচ খেলেছেন এ উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। দীর্ঘ নয় বছরে  ৩৩.৫৪ গড়ে ৫ হাজার ২৬৭ রান করেন দলের ‘স্বর্ণযুগের’ অন্যতম এ কাণ্ডারি। তার সঙ্গে ১২০ ক্যাচ ও ৩০টি স্ট্যাম্পিং করেন অ্যান্ডি।

শচীন টেন্ডুলকার:১৯৯০ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৯৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টানা আট বছর ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে মাঠে নেমেছিলেন ‘লিটল মাস্টার’ খ্যাত শচীন টেন্ডুলকার। এসময় ১৮৫টি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।যদিও ব্যাটিং লাইনআপে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে ওই আট বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্যদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি রান করেন তিনি। এসময় ৪০.৬১ গড়ে ৬ হাজার ৬২০ রান ছিল ভারতের ‘ক্রিকেট ঈশ্বরের’। স্ট্রাইকরেট ছিল ৮৪.৫১। পাশাপাশি ১৫টি সেঞ্চুরি ও ৪০টি হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি।১৯৯৮ সালের ২৪ এপ্রিল শারজাতে কোকাকোলা কাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩২ বলে ১৩৪ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন শচীন।ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ও কেনিয়াকে নিয়ে কোকাকোলা ট্রায়াঙ্গুলার কাপ খেলে ভারত। নাটকীয়ভাবে মোহালিতে ১৪ মে বাংলাদেশের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বিশ্রামে রাখা হয় সর্বকালের সেরা এ ব্যাটসম্যানকে।

Check Also

৫৭ লাখ টাকার জমি নাম মাত্র মুল্য ১ হাজার ১ টাকায় পেল মিরাজের পরিবার…

৫৭ লাখ টাকার জমি নাম মাত্র মুল্য ১ হাজার ১ টাকায় পেল মিরাজের পরিবার—\ গত …